রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩

 আসসালামু আলাইকুম, আমরা প্রায় অনেকেই জানি রাশিয়া ইউক্রেন এর যুদ্ধ সম্পর্কে। আবার অনেকেই আছি যারা রাশিয়া ইউক্রেন এর যুদ্ধের সম্পর্কে তেমন কিছু জানিনা। তাই আজকের এই পোস্টটিতে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩ সম্পর্কে জানাবো। আশা করি রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩ সম্পর্কে জানার জন্য আপনারা আগ্রহী।


রাশিয়া ইউক্রেন এর যুদ্ধ অত্যন্ত ভয়াবহ ছিল। অত্যাচার করা হয়েছে নিরীহ মানুষদের ওপর। তাই চলুন দেরি না করে জেনে নেই রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩ খবর সম্পর্কে বিস্তারিত।


রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু কত তারিখে?রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩

আমরা সকলেই রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩ জানার জন্য অনেকটাই আগ্রহী। তবে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩ জানার আগে চলুন আমরা সর্বপ্রথম জেনে নেই রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ কত তারিখে এবং কত সালে শুরু হয়। কেননা রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ কত তারিখে শুরু হয় তা জেনে রাখা আপনাদের খুবই প্রয়োজনীয়। নিম্নে রাশিয়া কত তারিখে তা দেওয়া হলোঃ

আরো পড়ুনঃরাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি

আমরা সকলে রাশিয়া ইউক্রেন যেতে সম্পর্কে বিস্তারিত জানি। রাশিয়া ইউক্রেন এর যুদ্ধে রাশিয়া অত্যন্ত ভয়াবহ ভাবে ইউক্রেনের উপর হামলা চালায়। এই যুদ্ধটি ঠিক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে কঠিন এবং শরণার্থী সংকটের সূত্রপাত সৃষ্টি করে। ইউক্রেনের জনগণ প্রায় ৮.৮ মিলিয়নেরও বেশি নিজের দেশ ছাড়া হয় ও লাখ লাখ জনগণ যুদ্ধে আহত এবং নিহত হয়। রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধ ২০২২ সালে ২৪ শে ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছিল। এবং এখনো তা সেই যুদ্ধ চলমান রয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেন এর মধ্যে অর্থাৎ দুই দেশের মধ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে।

রাশিয়া ও ইউক্রেনের সময় অনুযায়ী বৃহস্পতিবার ভোরে টেলিভিশনের সামনে এসে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের দনবাস অর্থাৎ ডোনেটস্ক এবং লোহানস্কে সেনারা যুদ্ধের ঘোষণা দেন। উপর থেকে দুইটি দেশের মধ্যে অত্যন্ত ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হয়। রাশিয়া ইউক্রেন এর যুদ্ধ শুরু হয়েছিল মূলত ইউক্রেনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের মাধ্যমে। আপনারা হয়তো এতক্ষণে বুঝে গেছেন রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধ কত তারিখ এবং কোথায় শুরু হয়েছিল।

রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণ

২০১৪ সালে সর্বপ্রথম রাশিয়া যখন ইউক্রেনে প্রবেশ করে, সে সময় প্রেসিডেন্ট পুতিন সামর্থিত বিদ্রোহীরা ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের অনেক বড় এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল। সেই সময় থেকে রাশিয়া সেনাদের সাথে ভয়াবহ যুদ্ধ করে আসছে। কিন্তু এখানে আপডেট খবর হলো ইউক্রেন বিদ্রোহীরা শুধুমাত্র যেটুকু জায়গা নিয়ন্ত্রণ করেছিল শুধুমাত্র সেইটুকু জায়গা দাবি করে না, তারা দেনেৎস্ক ও লোহানস্ক অঞ্চলকেও সম্পূর্ণ নিজেদের বলে দাবি করেছে। তবুও সেই রাশিয়া ইউক্রেন এর ভয়াবহ যুদ্ধ থামেনি। রাশিয়া বলেছেন এই অঞ্চলে তিনি তথাকথিত শান্তিরক্ষী পাঠাবেন।

২০১৫ সালে বেনারুশের রাজধানী মীনস্কে এই চুক্তি করা হয়েছিল। এই চুক্তিতে কথা হয়েছিল পূর্ব ইউক্রেন থেকে সামরিক স্থাপনা এবং সামরিক সরঞ্জাম ও ভাড়াটে সেনাদের সরিয়ে ফেলতে। এছাড়াও এই চুক্তিতে আরো বলা হয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল গুলোকেও বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার কথা। এই চুক্তিগুলো কিয়েভ কোন ভাবে বাস্তবায়ন করেননি। ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইউক্রেনের যোগ দিতে চাওয়া হল যুদ্ধের সবচেয়ে বড় কারণ। কেননা অনেকদিন ধরেই রাশিয়া উপরোক্ত বিষয়গুলো বিশেষভাবে আপত্তি করে আসছে। 

ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দেওয়া যাবে না, পশ্চিমা অঞ্চল গুলোকে স্বাধীনভাবে নিশ্চয়তা দিতে হবে এগুলো ছিল রাশিয়ার দাবি। ন্যাটো পশ্চিমা অঞ্চল গুলো সামরিক জোট যেখানে ৩০ টি দেশ রয়েছে। মূলত উপরোক্ত কারণগুলোর কারণেই রাশিয়া ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধের কারণ। এই সমস্ত কারণেই তাদের দুই দেশের মধ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ সৃষ্টি হয়। আর সেটি এখনো চলমান রয়েছে। কবে কিভাবে এই যুদ্ধ শেষ হবে তা কেউ এখনো জানে না।

রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব

২০২২ সালের ২৪ শে ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেন এর যুদ্ধ শুরু হয়। সেই থেকে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পুরো বিশ্বকে ভুক্তে হচ্ছে। রাশিয়া সর্বপ্রথম ইউক্রেন ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটিয়ে যুদ্ধ শুরু করে। আর এই যুদ্ধ প্রতিরক্ষা করার জন্য ইউক্রেনেও যুদ্ধ প্রতিরোধ করা শুরু করে। যুক্তরাষ্ট্রের সহ তার পশ্চিমা বন্ধু দেশগুলো ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়ে নানা রকমের সরঞ্জাম দিয়ে সাহায্য করছে। পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর নানা ধরনের বিধি-নিষেধ দিয়েছেন। রাশিয়ার সকল সম্পদ গুলো আমেরিকা এবং ইউরোপের দেশগুলোতে থাকায় বিশেষভাবে জব্দ করা হয়েছে।

এর জন্য রাশিয়ান ব্যবসায়ীরা নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। এই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়েছেন পুরো বিশ্ববাজারে। গত তিন দশকের মধ্যে খাদ্যদ্রব্যের মূল্য সর্বোচ্চ চূড়ায় গিয়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশকও পড়তে হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখে। ৬৫০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে তৈরি পোশাকগুলো বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ায় রপ্তানি হয়। রাশিয়ার কয়েকটি ব্যাংকে বৈশ্বিক আনন্ত ব্যাংক লেনদেন সংক্রান্ত সুইফট সিস্টেমে নিষেধআজ্ঞা করার ফলে তৈরিকৃত পোশাকগুলোর রপ্তানি হুমকির মুখে পড়েছে। 

ফলে যে সমস্ত পোশাক গুলোর শিপমেন্ট এর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে সেই শিপমেন্ট গুলোর মূল্য বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে ভয়াবহ। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে বলেছেন যুদ্ধ এভাবে চলতে থাকলে মালবাহী জাহাজের ভাড়া এবং বীমা বেড়ে যাবে বিপুল আঙ্কের টাকায়। পণ্য রপ্তানি বাংলাদেশে সম্পূর্ণ এফওবি অর্থাৎ ফ্রি অন বোড ভিত্তি হিসেবে করা হয়। এর জন্য পণ্য রপ্তানিতে কোন ধরনের ব্যয় বাড়বে না। অপরদিকে আমদানির জন্য পণ্য সি এন্ড এফ অর্থাৎ কস্ট এন্ড ফ্রেইট ভিত্তিতে করা হয়। 

আরো পড়ুনঃরাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু কত তারিখে?

এর ফলে আমদানিকৃত জাহাজের ভাড়া বিপুল হার বেড়ে যাবে। তাই এর সকল প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের আমদানিকৃত পণ্যমূল্যের ওপর। একটি প্রতিবেদনে বলা হয় চলমান অর্থ বছরে প্রথমবার বাণিজ্যিক ঘাটতি ১ হাজার ৫৬১ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। গত বছরের এর ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৬৮৭ কোটি ডলার। আমাদের দেশ বাংলাদেশ কাতার এবং ওমান থেকে এলএনজি আমদানি করে। কিন্তু রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে ইউরোপে দেশগুলো রাশিয়ার ওপর থেকে নির্ভরশীলতা কমিয়ে ইন্দোনেশিয়া. কাতার এবং ওমানের মত দেশগুলো বিপুল পরিমাণ ঝুঁকিতে পড়েছে। 

এর জন্য এলএনজির দাম বিশ্ববাজারে বিপুল পরিমাণ বেড়ে গেছে। তাই বলা যায় রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পুরো বিশ্বের উপরে পড়ছে। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩ এর কারনে আমাদের অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। যার ফলে যে কোন পণ্য আমাদের বেশি দামে আমদানি করতে হচ্ছে। এবং আমাদের দেশি পণ্যগুলো ঠিক তেমন ভাবে রপ্তানি করা হচ্ছে না। এটি একটি ব্যবসায়ীদের জন্য অত্যন্ত ভয়াবহ অবস্থা।

রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি

বর্তমান সময়ে রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধে ইউক্রেন এর হামলা অত্যন্ত বিধ্বংসী এবং ভয়াবহ যুদ্ধে আকার ধারণ করেছে। একের পর এক রুশ সেনাবাহিনীর নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র কাঁপিয়ে তুলছে কিয়েভ সহ পার্শ্ববর্তী অন্যান্য শহরগুলো। রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধ প্রায় এক বছর পার হয়েছে। আর এই যুদ্ধ এখনো চলমান রয়েছে। যা বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত খারাপ করে চলছে। রুশ সেনাবাহিনীরা ইউক্রেনের ওপর নির্বিচারে হামলা চালিয়ে প্রধান চারটি জায়গা রাশিয়া দখল করে নিয়েছে অঞ্চল গুলো হল: লুহানস্ক, দনেৎস্ক, খেরসন এবং জাপোরিজিয়া।

এই অঞ্চল গুলোতে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বিশেষ ভাবে বিভিন্ন ধরনের আইন জারি করেছেন। ইউক্রেন এ অঞ্চল গুলো ফিরে পাওয়ার জন্য রাশিয়ার বিরুদ্ধে মারাত্মক হামলা করেছেন ইউক্রেন সেনারা। আরে হামলার কারণে ক্ষেপণাস্ত্র দ্বারা এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংস হয়ে গেছে বিদ্যুৎ কাঠামো। রাশিয়া সেনারা সামরিক বেসামরিক অবকাঠামো টার্গেট করে কিয়েভ শহরে বিপুল পরিমাণে ড্রোন হামলা চালিয়ে যেতে থাকে। আর এই ড্রোন গুলো দিয়ে সাহায্য করছে ইরান। 

রুশ ইউক্রেনের বিদ্যুৎ এবং পানির লাইনে ক্রমাগত হামলা চালানোর কারণে বিদ্যুৎ এবং পানির সংকটে পড়তে হচ্ছে ইউক্রেনের জনগণ এবং সামরিক বাহিনীদের। এর জন্য বলা যেতে পারে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। বিদ্যুৎ অপকাঠামের ওপর হামলা করার কারণে ইউক্রেনের প্রায় ৪৫ লক্ষ জনগণ বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ অবস্থায় জীবনযাপন করছেন। তবে ইউক্রেনের এই যুদ্ধের সময় তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ পশ্চিমা বিশ্ব। 

বর্তমানে এই যুদ্ধ রাশিয়া ইউক্রেনের বৃহৎ শক্তিগুলোর কারণে আগামী দিনের অর্থনীতি এবং রাজনীতি গঠনে সবচেয়ে বড় একটি সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। যুদ্ধের সেই প্রথম থেকেই ইউক্রেন তাদের ভূমি রক্ষা করার জন্য রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং আপ্রাণ চেষ্টাও করে যাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা ইউক্রেন কে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। 

তবে পরবর্তীতে যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেন কে সাহায্য করা বন্ধ করে দেয় তাহলে ইউক্রেন কে সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩ সম্পর্কে আপনারা হয়তো এতক্ষণে বুঝে গেছেন।

রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের ফলাফল

উপরোক্ত আলোচনার মাধ্যমে আমরা আপনাদের রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩ জানার জন্য আপনারা হয়তো অনেকটাই আগ্রহী ছিলেন। এর জন্য আশা করি আপনারা ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য পেয়েছেন। এবার আপনাদের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের ফলাফল সম্পর্কে কিছু বিস্তারিত ধারণা দেবো। নিম্নে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের ফলাফল দেওয়া হলঃ

আরো পড়ুনঃরাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণ

রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধের সময়সীমা প্রায় এক বছর পার হয়েছে। আর এই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ২০২২ এর ২৪ ফেব্রুয়ারি। আর আসতে আসতে এই যুদ্ধ অনেকটাই ভয়াবহ পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়াও যেমন ক্ষেপাণস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনের ওপর ভয়াবহ হামলা চালাচ্ছে ঠিক তেমনি ভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাওয়া সহযোগিতায় ইউক্রেন ও পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। ইউক্রেন মূলত তাদের বেশ কিছু অঞ্চল বাঁচানোর জন্য এই যুদ্ধটি করে যাচ্ছে। রাশিয়া ও চাচ্ছে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল দখল করতে।

বর্তমানে দুটি দেশই শক্তিশালী রূপ ধারণ করেছে। তবে রাশিয়া সর্বপ্রথম ইউক্রেনের উপর মারাত্মক বোমা হামলা চালিয়ে এই যুদ্ধটি শুরু করে। তবে এর ফলাফল কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা এখনো সঠিকভাবে বোঝা যায়নি। তার কারণ এখন পর্যন্ত দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। তবে পর্যালোচনা করে দেখা যায় ইউক্রেন এই যুদ্ধে জয়লাভ করার সম্ভাবনা রয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩ এর ফলাফল যুদ্ধ স্থিতি না হওয়া পর্যন্ত সঠিকভাবে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

শেষ কথা।রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩ 

আমরা এই পোস্টটিতে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩ সম্পর্কে সকল তথ্য বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এই যুদ্ধের পরিস্থিতি এবং ফলাফল কি হবে তা এখনো কেউ সঠিক ভাবে জানে না। যুদ্ধে যদি স্থিতি ঘটে তাহলেই জানা যাবে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩ এর সকল তথ্য। আশা করি আপনারা সকলেই রাশিয়ায় ইউক্রেন যুদ্ধ সর্বশেষ ২০২৩ সম্পর্কে সকল আপডেট তথ্যগুলো বুঝতে পেরেছেন। আমাদের এই পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।


পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url