প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ঘরোয়া চিকিৎসা

আপনি যদি প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ঘরোয়া চিকিৎসা নিতে চান তবে এই পর্বটি আপনার জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব প্রসাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া হলে করণীয় কি এবং ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে। প্রসবের রাস্তার জ্বালাপোড়া সমাধানের ঘরোয়া উপায় জানতে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ঘরোয়া চিকিৎসা।

প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ঘরোয়া চিকিৎসা
আপনার যদি প্রস্রাব এর রাস্তায় জ্বালাপোড়া হয়ে থাকে এবং আপনি এর সমাধান নিতে চান তবে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া হলে করণীয় কি এবং এর সমাধান সম্পর্কে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ঘরোয়া চিকিৎসা।

প্রসাবে জ্বালাপোড়া কি ঔষধ

আপনি যদি প্রসাবে জ্বালাপোড়া কি ঔষধ জানতে চান তবে এই পর্বটি আপনার জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব প্রসাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া হলে কোন ওষুধটি সেবন করতে হবে। প্রসাবে জ্বালাপোড়ার ওষুধ সম্পর্কে জানতে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। 

তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক প্রসাবে জ্বালাপোড়া কি ঔষধ এর নাম। প্রসাবে জ্বালাপোড়া আক্রান্ত রোগী যে সমস্ত উপদেশগুলো পালন করার মাধ্যমে প্রসাবের জ্বালাপোড়া থেকে কিছুটা উপশম পাওয়া যায়. এগুলো হলো-
  1. পরিমিত পরিমাণ খাবার পানি পান করা।
  2. গ্লুকোজ ও ডাবের পানি পান করা
  3. অতিরিক্ত সময় না খেয়ে থাকা উচিত নয়
  4. ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খেতে হবে
  5. ইনফেকশন চলাকালীন সময়ে মাছ মাংস কম এবং সবজি জাতীয় খাবার বেশি খেতে হবে
  6. বেশি সময় ধরে পোশাবের চাপ হাতে রাখা যাবে না
  7. প্রসবের পরে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে
  8. সুসময়খাদ্য খাবার খেতে হবে।
এছাড়াও প্রসাব পরীক্ষা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খেতে হবে। এক্ষেত্রে ডাক্তার প্রসবের ইনফেকশনের জন্য জ্বালাপোড়া কমানোর লক্ষ্যে এন্টিবায়োটিক ঔষধ গুলো দিতে পারেন, এগুলো মধ্যে কয়েকটি এন্টিবায়োটিক ওষুধের নাম দেওয়া হলো-

এন্টিবায়োটিক

  1. Avloclav 625 mg
  2. Furotil Plus 500mg
  3. Amoclav 625mg
  4. Amotid CL 625mg
  5. Amoxiclav 375 mg
  6. Amoxiclav  625mg
  7. Agument 625mg
  8. Bioclavid 625mg
  9. Clavoxil 625mg
এর সাথে আরো কিছু ঔষধ খেতে হবে। যেমন-

  1. পেট ব্যথা থাকলেAlgin/Dysma/Emogit/Aspason এজাতীয় ঔষধ গুলো খেতে হবে। 
  2. তবে যদি পেট ব্যথা না কমে থাকে সেক্ষেত্রে Naproxon 500mg ট্যাবলেট এর সঙ্গে গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ খেতে হবে। ব্যথা পুরোপুরি না কমা পর্যন্ত এই ঔষধ চালিয়ে যেতে হবে।
  3. প্রসাবে যদি অতিরিক্ত জ্বালাপোড়া লক্ষ্য করা যায় সে ক্ষেত্রে Citra-K সিরাপ খেতে হবে।
সতর্কতাঃ উল্লেখিত ঔষধ গুলো অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এবং প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে।

পুরুষের প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া কেন হয়

পুরুষের প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া কেন হয় জানতে হলে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক পুরুষের প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া কেন হয়। ইউরিনারি ব্লাডার বা মূত্রধনীতে দীর্ঘ সময় যাবত পোশাক জমে ফলে প্রসাবে জীবাণু বেড়ে যায়। যার ফলে প্রসাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া হয় একে প্রসাবের ইনফেকশনও বলা যায়। তবে পুরুষদের তুলনায় নারীদের এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়।
বয়স্ক পুরুষদের ক্ষেত্রে মূত্রনালির নিচে পাথর কিংবা টিউমার জাতীয় রোম বা পোস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়ার কারণে মূত্র থলির মধ্যে দীর্ঘ সময় মূত্র থেকে যায়। যার ফলে মূত্রথলির মধ্যে জীবাণুর সংক্রমণ বেড়ে যায়। আরো অনেক কারণেই পুরুষের প্রসাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া হতে পারে। কারণগুলো হলো-
  1. ক্যাথেটার বা প্রসবের জন্য নল লাগানো
  2. অস্বাস্থ্যকর যৌন অভ্যাস
  3. অনিয়ন্তিত ডায়াবেটিস
  4. প্রসবের রাস্তায় মাংস বেড়ে যাওয়া
  5. মূত্রথলির নিচে পাথর বা টিউমার
  6. পোস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়া
  7. প্রসবের পর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাই অনাগ্রহতা
মুত্র থলিতে বা মূত্রনালীতে জীবাণু সংক্রমনের ফলে ইনফেকশন বা জ্বালাপোড়া সৃষ্টির পরে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা করা অত্যন্ত জরুরী। যদি সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না করা হয় সংক্রমণ কিডনিতে যেতে পারে।কখনো কখনো রক্তের মাধ্যমে সমস্ত শরীরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

পুরুষের প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ঔষধ

আপনি যদি পুরুষের প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ঔষধ এর নাম জানতে চান তবে এই পর্বটি আপনার জন্য। চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক পুরুষের প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ঔষধ। প্রসাব পরীক্ষা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খেতে হবে। এক্ষেত্রে ডাক্তার প্রসবের ইনফেকশনের জন্য জ্বালাপোড়া কমানোর লক্ষ্যে এন্টিবায়োটিক ঔষধ গুলো দিতে পারেন, এগুলো মধ্যে কয়েকটি এন্টিবায়োটিক ওষুধের নাম দেওয়া হলো-

এন্টিবায়োটিক

  • Avloclav 625 mg
  • Furotil Plus 500mg
  • Amoclav 625mg
  • Amotid CL 625mg
  • Amoxiclav 375 mg
  • Amoxiclav  625mg
  • Agument 625mg
  • Bioclavid 625mg
  • Clavoxil 625mg
এর সাথে আরো কিছু ঔষধ খেতে হবে। যেমন-
  1. পেট ব্যথা থাকলেAlgin/Dysma/Emogit/Aspason এজাতীয় ঔষধ গুলো খেতে হবে। 
  2. তবে যদি পেট ব্যথা না কমে থাকে সেক্ষেত্রে Naproxon 500mg ট্যাবলেট এর সঙ্গে গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ খেতে হবে। ব্যথা পুরোপুরি না কমা পর্যন্ত এই ঔষধ চালিয়ে যেতে হবে।
  3. প্রসাবে যদি অতিরিক্ত জ্বালাপোড়া লক্ষ্য করা যায় সে ক্ষেত্রে Citra-K সিরাপ খেতে হবে।
সতর্কতাঃ উল্লেখিত ঔষধ গুলো অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এবং প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে।

ছেলেদের প্রস্রাবের রাস্তায় ব্যথা

ছেলেদের প্রস্রাবের রাস্তায় ব্যথা কেন হয় জানেন। যদি না জেনে থাকেন তবে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক ছেলেদের প্রস্রাবের রাস্তায় ব্যথা কেন হয়। একজন সুস্থ মানুষ গড়ে পাচ থেকে ছয় বার অর্থাৎ ১.2 থেকে1.5 লিটার মুত্র শরীর থেকে বের করে দেয়। প্রসাব চলাকালীন সময়ে কিংবা পোশাক শুরুর সময়ে যদি কোন প্রকার যন্তনা বা ব্যথার অনুভব করেন তাহলে একে ডাইশুরিয়া বা প্রসবের ইনফেকশন বলে চিহ্নিত করা যায়।


বর্তমান সময়ে প্রসাবে ইনফেকশন খুবই সাধারণ একটি রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে মেয়েদের মধ্যে এ রোগের সংক্রমণ অনেক বেশি। কারণ পুরুষ ও মহিলাদের শারীরিক গঠনের পার্থকতা।তবে ছেলেরাও এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এই রোগের প্রধান লক্ষণ গুলোর মধ্যে রয়েছে প্রসাব করতে গেলে জ্বালাপোড়া করে। দীর্ঘ সময় যাবত প্রসাব আটকে রাখা এ রোগের আরও একটি কারণ। পরিমিত পরিমাণ পানি ও সুষম খাবার গ্রহণের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

প্রসাবে জ্বালাপোড়া কেন করে

প্রসাবে জ্বালাপোড়া কেন করে জানতে হলে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক প্রসাবে জ্বালাপোড়া কেন করে। বিভিন্ন কারণে প্রসাবে জ্বালাপোড়া হতে পারে। শুধুমাত্র যে প্রসবের ইনফেকশনের কারণে জ্বালাপোড়া হয় এমনটা নয়।প্রসাবে জ্বালাপোড়া করার আরো বেশ কিছু কারণ রয়েছে। এগুলো হল-
  1. পরিমিত পরিমাণ পানি পান না করা
  2. অস্বাস্থ্যকর খাবার দাবার
  3. দীর্ঘ সময় প্রসব আটকে রাখা
  4. মূত্রথলিতে টিউমার
  5. মুত্রনালীর মাংস বৃদ্ধি
  6. যোনিপথে ছত্রাকের সংক্রমণ
  7. সিফিলিস ও গনোরিয়ার মত রোগের পূর্ব ইতিহাস
  8. পিরিয়ড চলাকালীন সময় অপরিষ্কার কাপড় ব্যবহার
  9. কিডনিতে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া। ইত্যাদি।

পুরুষাঙ্গে জ্বালাপোড়া কেন হয়

আপনি কি জানেন পুরুষাঙ্গে জ্বালাপোড়া কেন হয়? যদি না জেনে থাকেন তবে এই পর্বটি আপনার জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব পুরুষাঙ্গে জ্বালাপোড়ার কারণ সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক পুরুষাঙ্গে জ্বালাপোড়া কেন হয়। অনেকেই প্রসব করার সময় জ্বালাপোড়া লক্ষ্য করেন। 

এক্ষেত্রে অনেকেই মনে করতে পারেন যে পোষাবে ইনফেকশন রয়েছে। আসলে তেমন কিছুই নয়। এটা এক বা দুই দিনের মধ্যেই ভাল হয়ে যায়। তবে যদি দীর্ঘদিন ধরে জ্বালাপোড়া অনুভব করেন তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সহবাসের পর প্রসাবে জ্বালাপোড়া

সহবাসের পর প্রসাবে জ্বালাপোড়া কেন হয় জানেন? যদি না জেনে থাকেন তবে এই পর্বটি আপনার জন্য। আজকের এই পর্বের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করব সহবাস করার পর প্রসাবে জ্বালাপোড়া হয় কেন সেই সম্পর্কে। তাহলে চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক সহবাসের পর প্রসাবে জ্বালাপোড়া কেন হয়। 

সহবাসের পরে অনেকেই প্রসব করার সময় জ্বালাপোড়া লক্ষ্য করেন। এক্ষেত্রে অনেকেই মনে করতে পারেন যে পোষাবে ইনফেকশন রয়েছে। আসলে তেমন কিছুই নয়। এটা এক বা দুই দিনের মধ্যেই ভাল হয়ে যায়। তবে যদি দীর্ঘদিন ধরে জ্বালাপোড়া অনুভব করেন তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ঘরোয়া চিকিৎসা

প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। চলুন আজকের এই পর্বের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ঘরোয়া চিকিৎসা। প্রসাবের রাস্তায় যদি জ্বালাপোড়া অনুভব করেন তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। তবে ঘরোয়া উপায়ে এর মাধ্যমেও প্রসাবের জ্বালাপোড়া কিছুটা উপশম করা যায়। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করতে হবে।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

প্রসাবে ইনফেকশন বা জ্বালাপোড়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিত যা আপনাকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করবে। অনেক সময় শরীরে পানির ঘাটটি দেখা দিলে প্রসাবে জ্বালাপোড়া হতে পারে।

ডাবের পানি

প্রসাবের রাস্তায় ইনফেকশন বা জ্বালাপোড়া ভাব কমাতে ঘরোয়া চিকিৎসা গুলোর মধ্যে ডাবের পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডাবের পানিতে প্রচুর পরিমাণে ইলেকট্রোলাইট রয়েছে যা আমাদের শরীরের তরলের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ক্যানবেরি জুস

ক্যানবেরি জুস প্রসাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া কমাতে অত্যন্ত উপকারী একটি উপাদান এটি ব্যাকটেরিয়ার ধ্বংসের বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

আমলা জুস

প্রসবের ইনফেকশন কমানোর ক্ষেত্রে আমলা জুস ও অত্যন্ত উপকারী।

টক দই

প্রসাবের ইনফেকশন বা জ্বালাপোড়া এড়িয়ে চলতে নিয়মিত খাদ্য তালিকায় টক দই রাখা উচিত। এটি অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন একটি খাবার যাতে প্রচুর পরিমাণে প্রোবায়োটিক রয়েছে। এছাড়াও এটি জননাঙ্গের পিএইচ এর সঠিক মাত্রা রাখতে সাহায্য করে।

গরম ছেক নিন

প্রসাবের জ্বালাপোড়া কমাতে কিংবা যেকোনো ধরনের ব্যথার জন্য গরম সেক বিশেষ উপকারী। নিয়মিত তলপেটে শেখ নিলে এ থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও আপনি হট ওয়াটার প্যাক ব্যবহার করতে পারেন বা গরম পানির সেকও নিতে পারেন।

এছাড়াও এই খাবারগুলো খেতে পারেন এগুলো হল-
  • মেথি দানা
  • ধনে বিজ
  • ব্লুবেরি
  • আপেল সাইডার ভিনেগার
  • মধু মিশ্রিত লেবু পানি
  • আখের রস বা গুড়।

শেষ কথা

উপরোক্ত আলোচনা সাপেক্ষে এতক্ষণে নিশ্চয়ই প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আজকের এই পর্বটি সম্পর্কে আপনার যদি কোন মন্তব্য থেকে থাকে তবে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং আজকের পর্বটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তবে অবশ্যই বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন।
পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url