বার বার জ্বর হলে করণীয়-জ্বর হলে কি ঔষধ খাওয়া উচিত

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক আজকে আপনাদের সামনে নিয়ে আসলাম আরেকটি নতুন আর্টিকেল। আজকের আর্টিকেল পড়ে আপনি জানতে পারবেন বারবার জ্বর হলে কি করনীয় এবং জ্বরে কি ওষুধ খাওয়া উচিত এসব বিষয় নিয়ে আজকের এই আর্টিকেলটি। জ্বর সম্পর্কে জানতে আমাদের সঙ্গে থাকন।                                                              

জ্বর কোন রোগ না বরং অন্য রোগের উপসর্গ । জ্বরকে ভয় পাওয়ার কোন কিছু নেই আজকের এই আর্টিকেল পড়ার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন জ্বর থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার উপায়। তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নেই বারবার জ্বর আসার কারণ।

বার বার জ্বর আসার কারণ

প্রিয় পাঠক এই পড়বে আমরা আলোচনা করব বারবার জ্বর আসার কারণ সম্পর্কে। জ্বর সম্পর্কে যদি আপনার ভয় থাকে তাহলে এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে আপনারা জ্বর সম্পর্কে ভয় দূর হবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে জ্বর কোন প্রকার রোগ নয় বরং এটি বড় একটি রোগের লক্ষণ মাত্র।

 আপনার যখনই জ্বর হবে তখন আপনাকে বুঝে নিতে হবে আপনার শরীরে বড় ধরনের কোনো রোগ আসতে শুরু করছে। তাই তখনই ডাক্তারের পরামর্শ নিন তাহলে আপনি বড় রোগের হাত থেকে বেঁচে যাবেন। আর এই বারবার জ্বর আসার কারণ হচ্ছে অনেক ধরনের ভাইরাসের কারণে এই বারবার জ্বর আসে এবং অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করলে বারবার জ্বর হতে পারে বা হঠাৎ করে ভয় পেলে আপনার বারবার জ্বর আসতে পারে।

জ্বর হলে কি কি খাওয়া যাবে না?

জ্বর এমনই একটি রোগ যা যে কোন সময় যেকোন মানুষের উপর আক্রমন চালায়। সবচেয়ে লক্ষণীয় কারণ হচ্ছে জ্বর একটি দুটি কারণে হয় না তবে আমরা সবসময় সচেতন থাকবো বিভিন্ন কারণে মানুষের জ্বর হয়। আজকে আমরা জানবো জ্বর হলে কি কি খাওয়া যাবেনা এই বিষয়ে। তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নি ঝড় হলে কি কি খাওয়া যাবেনা। যখন জ্বর হবে তখন সব ধরনের তৈলাক্ত খাবার এবং ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া যাবে না। এবং অর্ধ সিদ্ধ কোন খাবারে খাওয়া যাবেনা।

জ্বর কত দিন থাকে?

এমনি সাধারণত জ্বর দুই থেকে তিন দিন থাকে। যদি সেটা ভাইরাস জ্বর হয় তাহলে ৭ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী হয়। শরীরে জ্বরের ভূমিকা প্রায় ক্ষতিকারক হয় না বিশেষ ক্ষেত্রে এই ভূমিকা হয় জীবাণুর সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য। অনেক সময় জ্বর আমাদের সহায়কের ভূমিকা পালন করে।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে জ্বরের চিকিৎসা

প্রিয় পাঠক এ পর্বে আমরা আলোচনা করব ঘরোয়া পদ্ধতিতে কিভাবে ঝড়ের চিকিৎসা করা যায় সেই সম্পর্কে। আপনাদের জেনে রাখা ভালো মানুষের শরীরের প্রতিরোধক ব্যবস্থা যদি কমে যায় এবং স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে তাহলে মানুষের অবস্থা হয়ে পড়ে রোগাগস্ত। অন্যদিকে তার রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থা যদি ঠিক থাকে শরীর স্বাস্থ্য ঠিক থাকে তাহলে জ্বর হয় না বললেই চলে। চলুন তাহলে দেখে নিই ঘরোয়া পদ্ধতিতে জ্বরের প্রাথমিক চিকিৎসা কি কি করা যায়।

গরমের সময় জ্বর হলেঃ গরমের সময় জ্বর হলে এগারোটা তুলসী পাতা ও সাতটি গোলমরিচ নিয়ে দুটোকে একসঙ্গে ৬০ গ্রাম জলে মেরে সকাল সন্ধ্যা রোগীকে খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়।

বর্ষার সময় জ্বর হলেঃ বর্ষার সময় অথবা শীতের সময় ঠান্ডা লেগে জ্বর হলে ওই একই পরিমাণ তুলসী পাতা ও গোলমরিচ .১২৫ গ্রাম জলে ফুটিয়ে অর্ধেক করুন। ওই জল রোগীকে সকাল সন্ধ্যা পান করতে দিন।গোলমরিচ গুলো ভেঙ্গে দিলে ভালো হয়। ১২ বছরের ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে তুলসী পাতা তিনটি এবং গোলমরিচ দুইটি দিবেন। যদি মনে হয় মিষ্টি না হলে রোগী খেতে চাইছে না তাহলে তার মধ্যে দশগ্রাম মিছরি গুরু করে দিবেন।

 জ্বর হলে কি ঔষধ খাওয়া উচিত  

প্রিয় পাঠক এখন আমরা আলোচনা করব জ্বর হলে কি ওষুধ খাওয়া উচিত সে সম্পর্কে। আমাদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায় জ্বর হলে আমরা প্যারাসিটামল বা নাপা খেয়ে থাকে। তাতে যদি কাজ না হয় তখন আমরা এন্টিবায়োটিক ঔষধ সেবন করি যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতির কারণ হয়। আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত ঘরোয়া পদ্ধতিতে জ্বরের চিকিৎসা করা। কেননা আপনার যখনই জ্বর হবে তখন আপনাকে বুঝে নিতে হবে আপনার শরীরে বড় ধরনের কোনো রোগ আসতে শুরু করছে। তাই সেই সময় আমাদের বেশি বেশি করে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। যেমন যেকোনো জোরে মিষ্টি বেদনা বা ডালিম প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। এতে রোগীর পিপাসার পরিমাণ কমে যায় জ্বর নিবারনেও অনেক সাহায্য করে। জ্বরের সময় কাগজে লেবুর রস বেশি বেশি খেতে হবে। এরপরও যদি মনে হয় কাজ হচ্ছে না সে ক্ষেত্রে অবশ্যই অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করতে হবে।

ভাইরাস জ্বরের এন্টিবায়োটিক

প্রিয় পাঠক এখন আমরা আলোচনা করব ভাইরাস জ্বরের এন্টিবায়োটিক সম্পর্কে। আপনি যদি না জেনে থাকেন ভাইরা জ্বরের এন্টিবায়োটিক কি তাহলে আজকের এই পর্বটি আপনার জন্য। এই পর্বের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন ভাইরাস জ্বরের এন্টিবায়োটিক সম্পর্কে।  ভাইরাস জ্বরের জন্য কোন ধরনের এন্টিবায়োটিক এর প্রয়োজন হয় না। 

ভাইরাস জ্বর মূলত ছয় থেকে সাত দিনের মধ্যে এমনিতেই সেরে যায়। কেননা ভাইরাস জ্বরের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক আপনার দেহে কোন ইফেক্ট ফেলতে পারবে না। ভাইরাস জ্বরের ক্ষেত্রে জ্বরের নরমাল ওষুধ পরিমাণের ডাবল খেলে জ্বর এমনিতে সেরে যায় তারপরও যদি ভালো না হয় অবশ্যই অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে একা একাই কোন জনের অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া ঠিক হবে না।

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক এই পর্বে আমরা জেনেছি ভাইরাস জ্বরের এন্টিবায়োটিক সম্পর্কে। জ্বর হলে কি খাওয়া উচিত এবং কি খাওয়া উচিত না সে সম্পর্কে। এবং ঘরোয়া পদ্ধতিতে জোরে চিকিৎসা সম্পর্কে। আশা করছি আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনার জ্বর সম্পর্কে অনেক কিছু শিখতে পারবেন। আজকের এই আর্টিকেল সম্পর্কে আপনাদের যদি কোন মতামত থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।


পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url