অ্যালোভেরার উপকারিতা ও অপকারিতা - অ্যালোভেরা চুলে কিভাবে ব্যবহার করব

 অ্যালোভেরার উপকারিতা ও অপকারিতা অ্যালোভেরা কে আপনারা হয়তো সকলেই চিনেন। বিশেষ করে ত্বক এবং চুলের যত্নের জন্য এটা অনেক জনপ্রিয়। কাউকে এটা থাকা পুষ্টিকর উপাদান গুলো আমাদের চুল ও তার ভালো রাখতে সাহায্য করে। চুল ও ত্বক ভালো রাখার পাশাপাশি আমাদের স্বাস্থ্যকেও ভালো রাখতে সাহায্য করে। কারন কি এতে থাকা পুষ্টিগণ উপাদান গুলো আমাদের বিভিন্ন রোগের হাত থেকে বাঁচতে সাহায্য করে। 

অ্যালোভেরার উপকারিতা ও অপকারিতা - অ্যালোভেরা চুলে কিভাবে ব্যবহার করব

তাই আপনারা চাইলে এলোভেরা শরবত তৈরি করে খেতে পারেন এটা আপনাদের জন্য অনেক উপকারী। এখন কথা হলো তো কিংবা চুলের যত্নে এলোভেরা কিভাবে ব্যবহার করতে হবে। এটি জানতে হলে পুরো পোস্টটিকে ভালো করে পড়তে হবে।

অ্যালোভেরার উপকারিতা- অ্যালোভেরার উপকারিতা ও অপকারিতা

এলোভেরা একটি প্রাকৃতিক উপাদান। এই প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে অনেক অসাধারণ গুণ। অ্যালোভেরা একই সাথে চুল, ত্বক এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। আসলে ব্যাপারটা খুব মজাদার। একটা মাত্র জিনিস কিভাবে আমাদের চুল ত্বক এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

 আপনারা যদি আপনাদের শরীরকে চাঙ্গা রাখতে চান তাহলে অবশ্যই এলোভেরা জল খাওয়া শুরু করে দিন। কারণ গবেষণায় জানা গেছে যে, এটি যেমন আমাদের চুল ও ত্বকের জন্য অনেক উপকারী তেমন এটি আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে অনেক সাহায্য করে। তাহলে চলুন জেনে নেই অ্যালোভেরা খাওয়ার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে।

আমাদের শরীর থেকে টক্সিন উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে

আমাদের শরীরের কর্মক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করে। আমাদের শরীরে কাজ করে। খারাপ ব্যাকটেরিয়া গুলো আমাদের শরীরের জন্য অনেক ক্ষতিকারক। তেমনি এই টক্সিন পদার্থ আমাদের শরীরের জন্য অনেক ক্ষতিকারক। এ টক্সিন পদার্থ যদি দিন দিন বেঁচে থাকে তাহলে আমাদের শরীরের কার্যক্ষমতা কমে যাবে। 

এতে করে আমাদের শরীর আরো দুর্বল এবং অসুস্থ হয়ে পড়বে। ফলে নানা ধরনের রোগের বাসা বাধে আমাদের শরীরে। আমরা যদি এলোভেরা খায় তাহলে, এই অ্যালোভেরা আমাদের শরীর থেকে খারাপ টক্সিন পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। তার পাশাপাশি এলোভেরা খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে এন্টিঅক্সিডেন্ট এর পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। এতে করে আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। আর শরীর থেকে খুব সহজেই খারাপ ব্যাকটেরিয়া গুলো দূর করা যায়। এতে আমাদের শরীর ও স্বাস্থ্য দুটোই ভালো থাকে।

হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে

অনেক গবেষণায় জানা গেছে যে এলোভেরা খাওয়ার পরে। শরীরের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়। এর ফলে শরীরের প্রতিটা অংশে অক্সিজেন গিয়ে পৌঁছায়। যে কারণে আমাদের শরীরের প্রতিটা অংক ভালো থাকার পাশাপাশি হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং হার্ট সুস্থ থাকে। সেই সঙ্গে এটি রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল এর মাত্রা কমাতেও সাহায্য ক্রে। 

কারন কি আমাদের মধ্যে অনেকে হয়তো জানেন যে, খারাপ পোস্টাল রক্ত সঞ্চালনে বাধা দেয়। আর আমাদের হার্ট থেকে যেহেতু রক্ত সঞ্চালন হয় তাই সরাসরি প্রভাবটা গিয়ে  হার্টের উপরে পড়ে। তাই এতে করে আমাদের হার্টের সমস্যা হতে পারে। তাই অ্যালোভেরা আমাদের হাটকে সুস্থ রাখতে অনেক সাহায্য করে। আমাদের শরীরের রক্ত সঞ্চালন যদি ঠিক থাকে তাহলে আমাদের হার্ট ও ঠিক থাকবে। এছাড়াও হার্টের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হাত থেকেও বেঁচে থাকা যাবে ।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

আপনি যদি সুস্থভাবে দীর্ঘদিন পর্যন্ত রোগমুক্তভাবে বাঁচতে চান তাহলে, অবশ্যই আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। কারণ এ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ফলে আমাদের শরীরে বিভিন্ন রোগের হাত থেকে বেঁচে থাকতে পারি। আর এ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন আন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার অথবা ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার। 

আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরা রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর একটি ভালো উপাদান। তাই অ্যালোভেরা ক্ষার মাধ্যমে আপনারা আপনাদেরও প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারবেন। এতে করে আপনারা সুস্থভাবে জীবন যাপন করতে পারবেন।

ত্বকের সমস্যা দূর করে

অ্যালোভেরা রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এনটিঅক্সিডেন্ট। এছাড়াও এদের রয়েছে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। আপনার হয়তো অনেকেই জানেন যে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি আমাদের শরীরে এক ধরনের হিসেবে কাজ করে। আমাদের শরীরের পাশাপাশি তো কেউ কিছু খারাপ ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। যেগুলো আমাদের ত্বকের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি সাধন করে থাকে। 

এ ব্যাকটেরিয়া গুলোর কারণে মূলত ব্রণের সমস্যা কিংবা বলে রাখার সমস্যা এসব হয়ে থাকে। তাই আপনারা যদি যৌবনকে ধরে রাখতে চান তাহলে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন। কারণ এটা থাকার ভিটামিন উপাদান এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান গুলো আপনার ত্বকের ব্যাকটেরিয়া গুলো নির্ভর করতে সাহায্য করবে এবং ত্বকে আরো উজ্জ্বল ও কোমল করে তুলতে সাহায্য করবে।

অ্যালোভেরা চুলে ব্যবহার করার নিয়ম। অ্যালোভেরার উপকারিতা ও অপকারিতা

অ্যালোভেরা  বিশেষ করে মেয়েদের জন্য অনেক জনপ্রিয়। কারণ এটি মেয়েদের ত্বক চুল। ভালো রাখতে সাহায্য করে এটা শুধু মেয়েদের জন্য নয় ছেলেদের জন্য অনেক উপকারী। এটি মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেদেরও ত্বক ও চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে। শুধু ত্বক ও চুল না এটি আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। 

কিন্তু এখন কথা হলো এটি যেহেতু আমাদের চুলের জন্য অনেক উপকারে। তাহলে এলোভেরা কে আমরা কিভাবে ব্যবহার করতে পারি। যে নিয়মে ব্যবহার করলে আমাদের চুলের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা খুব সহজেই দূর হয়ে যাবে। তাহলে চলুন অ্যালোভেরা কিভাবে চুলের ব্যবহার করলে চুল আর লম্বা ঘন এবং সুন্দর হয়ে ওঠে।

অ্যালোভেরার তেল

আপনারা চাইলে এলোভেরা তে বাড়িতে তেল তৈরি করতে পারেন। এটি আপনাদের চুলের জন্য অনেক উপকারী একটি উপাদান হবে। এটি আপনাদের খুশকি দূর করতে সাহায্য করবে, অতিরিক্ত চুল ওঠা দূর করবে, চুল দ্রুত লম্বা করতে সাহায্য করবে এবং চুল আরোও ঘন করতে সাহায্য করবে। এই তেলটি বানানোর জন্য আপনাদের প্রয়োজন হবে পেঁয়াজ বাটা, নারিকেল তেল এবং অ্যালোভেরার। 

এই তিনটি একসাথে একটি বাটিতে রেখে কোন একটি তাওয়ার উপর বসে ভালো করে জ্বাল করে নিন। জাল করার ফলে এলোভেরা পিয়াজের মধ্যে যে উপাদান গুলো রয়েছে সেগুলো খুব সহজে তেলটির সাথে মিশে যাবে। এতে করে তেলটি আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে। 

আর এই তেলটি যদি আপনার মাথায় আপনি ব্যবহার করেন তাহলে, এক মাসের মধ্যে এর রেজাল্ট আপনি দেখতে পারবেন। আপনারা এটিকে সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করুন। ব্যবহারের পরে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এটি দেওয়ার পর অন্তত ৪০ মিনিট রাখা প্রয়োজন।

অ্যালোভেরা ত্বক ও চুলে কাজ করবে ম্যাজিকের মতো

আপনারা যদি কোন ধরনের ঝামেলা না করতে চান তাহলে, গোসলের দুই ঘন্টা আগে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। গোসলের দুই ঘন্টা আগে এলোভেরা জেল পুরো মাথার স্কেলপে ভালো করে মাসাজ করে নিন। এতে করে আপনার চুলের গোড়া আরো শক্ত হবে এবং চুল দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। আর আপনি যদি ভালো করে মাসাজ করেন তাহলে এটি আপনার ব্লাড সার্কুলেশন ভালো রাখতে সাহায্য করবে এবং চুল ঘন করতেও সাহায্য করবে। আপনারা এটিকে যদি অন্তত একমাস ব্যবহার করেন তাহলে এর একটি ভাল উপকার দেখতে পাবেন। আর এটিকে সপ্তাহে তিন অথবা চারদিন ব্যবহার করুন।

পুরুষদের জন্য অ্যালোভেরার উপকারিতা :

এলোভেরা খুবই উপকারী একটি জিনিস।অ্যালোভেরা সবারই কাজে আসে সবার জন্যই উপকার। অ্যালোভেরা মেয়েদের জন্য উপকারী ছেলেদের জন্য উপকারী। অ্যালোভেরা রস খেলে অনেক ধরনের অসুখ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। পুরুষদের জন্য এলোভেরার উপকারিতা। এলোভেরা খেলে কি হয় এবং কি কি উপকার আছে তার বিস্তারিত আলোচনা।

এলোভেরা অনেক উপকারে আসে তা হল যাদের মুখে ব্ররুন থাকে করলে আস্তে আস্তে ব্ররুনের দাগ মিশে যায় এবং এবং স্কিন ফ্রেশ হয়ে যায়। এলোভেরা জেল চুলে ব্যবহার করলে চুলের করার খুশকি এবং চুল সিল্কি হয়ে যায় চুল পড়া কমে যায়।

এবং এলোভেরা শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দূর করে দেয় অ্যালোভেরা ছেলেদের জন্য খুবই উপকারী তাদের শরীরের দুর্বলতা কমিয়ে দেয় এবং তাদের কেউ যদি প্রতিদিন এলোভেরা জুস পান করে তাহলে তার কোনো রকম শারীরিক সমস্যা থাকবে না। অ্যালোভেরা জেলের রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ভিটামিন এ ভিটামিন সি।যা বয়সে বয়সের ছাপ দূর করে এবং স্কিন টানটান রাখে।

যাদের ওজন বেশি তাদের এলোভেরা জুস খেলে তাড়াতাড়ি ওজন কমে যায় এবং বাড়তি মেদ কমে যায় তার কারণে কোনো ডায়েটর প্রয়োজন হয় না। যৌন ধরে রাখতে এলোভেরা খুবই ভালো কাজ করে। অ্যালোভেরা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে মৃত কোষগুলো তাজা করে।

এলোভেরা এলোভেরা ব্যবহারের ফলে হলেও হার্টের সমস্যা হয় না। ব্যবহার করলে ত্বকের চুলকানি এবং বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দূর হয়ে যায়। বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ ও ক্গুষতলো চর্ম রোগ থেকে মুক্তি দেয়।

এলোভেরা মধু কাঁচা হলুদ বেসন একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে মাখলে মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় মুখের কোনরকম দাগ থাকে না। নিয়মিত এলোভেরা জুস খেলে শরীর ভালো থাকে ওজন কমাতে সাহায্য করে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এলোভেরা নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

ফাটা এবং চুল কমানোর জন্য এলোভেরা সঙ্গে আমলকি একসঙ্গে মিশে করে তুলে দিলে চুল ভালো হয় এবং টাক পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে। এখন দেখা যায় ছেলেরা অল্প বয়সে মাথার চুল উঠে যায় তাদের জন্য অ্যালোভেরা খুবই উপযোগী। এলোভেরা এমন একটি উপাদান যা ছেলে সবার জন্যই ভালো। দাঁতের সমস্যা ও হার্টের সমস্যা দূরীকরণের জন্য অ্যালোভেরা খুবই উপকারী কোলস্টোরের মাত্রা কমিয়ে রাখে অ্যালোভেরা জুস।

এলোভেরা একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা আমাদের প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কাজে আমাদের উপকারে আসে। ছেলেদের যে সব উপকার হয় ত্বকের ক্ষত জায়গায় গুলো পূরণ করে। অ্যালোভেরা খাওয়ার কারণে তারা সমস্যা থেকে মুক্তি পাই। এলোভেরা ব্যবহারের ফলে তারা সহজেই বয়স কম করতে পারে। যৌন ক্ষমতা কম থাকে তাহলে তাই সে প্রতিদিন নিহত ডায়েট করা মতো করে যদি এলোভেরা এবং খায় বা ব্যবহার করে তার যৌন বেড়ে যাবে। এছাড়া এলোভেরা সব রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। 

কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা থাকলে এলোভেরা জুস খেলে সে সহজেই কষ্টকর জন্য কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ থেকে মুক্তি পাবে। যাদের টাক পড়ার সমস্যা আছে তারা যদি প্রতিদিন এলোভেরা জেল মাথায় ইউজ করে তারা আর কখনো চুল পড়া সম্ভাবনা থাকবে না। অ্যালোভেরা জেল এমন একটা প্রাকৃতিক বললাম যা আমাদের উপকার করে আসছে।

সে বলতে পারি অ্যালোভেরা শুধু পুরুষদের উপকার করে না মেয়েদের অনেক উপকারে আসে তবে প্রত্যেকটা ছেলে মানুষেরই উচিত অ্যালোভেরা জেল ইউজ করা। অ্যালোভেরা জেল প্রতিদিন ব্যবহার করলে অনেক অনেক উপকার পাওয়া যায়। ত্বকের যত্নে এলোভেরা শরীরের যত্নের ভেড়া এবং শারীরিক কোন সমস্যার যত্ন এলোভেরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান।

আমাদের সবার উচিত প্রাকৃতিক উপাদান গুলো ব্যবহার করা। যাতে আমরা সব সময় সুস্থ সুন্দর। এবং মাজিত জীবন যাপন করতে পারি।

ঘৃতকুমারীর অপকারিতা :

ঘৃতকুমারী একটি গাছ। যা দেখতে কাটার গাছের মতো কিছুটা। এটি রসালো প্রজাতির উদ্ভিদ। এই ঘৃতকুমারী গাছটি কাটার মত বা ক্যাকটাস গাছের মতো দেখা যায়।ক্যাক্টসের মতো দেখতে হলেও ক্যাকটাস নয় এলোভেরা। পিক প্রজাতির লিলি।৬ হাজার বছর আগে মিশরে এলোভেরা উৎপত্তি হয়।

আমরা জানি এলোভেরা আমাদের অনেক উপকারে আসে। শিশুর সাথে পরামর্শে এলোভেরা একটি খুবই উপকারী আমাদের শরীরে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশের সমস্যাগুলো দূর করে দিন। যেমন আমাদের এলাকার উপকার করে তেমন তার অপকারিতা অনেক রয়েছে। আমি যদি সরাসরি গাছ থেকে এলোভেরা নেওয়ার পর যদি ব্যবহার করি এটি আমাদের শরীর বা সব কিছুর জন্যই ক্ষতিকর হয়ে যায়। অ্যালোভেরা জেল হলুদ অংশের তেল বের হয় এটি আমাদের জন্য এলোভেরা জেল পটাশিয়ামের মাত্রা কমিয়ে দিয়ে দুর্বলতা ও ক্লান্তি সৃষ্টি করে খুবই ক্ষতিকর যা আমাদের উপকারের বদলে অপকার করে বেশি।

এই হলুদ রঙে তেলের কারণে আমাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো হলো ডায়রিয়া কম বৃদ্ধি পাওয়া এবং শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া প্রেসার হওয়া এবং পটাশিয়াম কমে যায় মুখে এই এলোভেরা হলো ধ্বংস যায় তাহলে তার পেট ব্যথা এবং ডায়রিয়া হওয়ার হয়ে যায়।।

হলুদ রস ত্বকে পড়ে তবে ত্বকে জ্বালাপোড়া শুরু হয় তাকে পুড়ে যেতে পারে এনার্জি সমস্যা হতে পারে । এতে চোখ লাল হয় চোখে পানি পড়ে চোখের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

যদি অ্যালোভেরার জুস পান করেন তাহলে রক্তের শর্করা কমে যায়। জেল যদি বেশিক্ষণ তোকে লাগিয়ে রাখেন তাহলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। অ্যালোভেরা জেল লাগানোর পর যদি ত্বকের জ্বালাপোড়া হয় তাহলে করা উচিত না আর যদি করে তাহলে তার আমার সাথে একাধারে আমার এলার্জি পুড়ে যাওয়া বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিবে। এলার্জি আছে তাদের জন্য এলোভেরা খুবই ক্ষতিকর একটি উপাদান। এলোভেরা টি হলুদ রঙ্গে রসালো হওয়ার কারণ হচ্ছে যা আমাদের ত্বক এবং শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতি করে থাকে তাই আমরা সবকিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জেনে এলোভেরা জেল ইউজ করব।

অ্যালোভেরা জেল খাওয়ার উপকারিতা:

অ্যালোভেরার তেল খেলে যেসব উপকার হয়। তা সম্পর্কে আজ আমরা জানবো।নিয়মিত এলোভেরা খাতির তালিকায় রাখতে হলে পুষ্টিবিদের সাথে আলোচনা করে রাখতে হবে।অ্যালোভেরা কিভাবে খেতে হয় এটা অনেকের অজানা। অ্যালোভেরার জুস অথবা সালাত হিসেবে খেতে হয়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ও ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।৷ ক্ষতিকর কিছু ঢুকলে তা অপসারণ করতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরা জেল খাদ্য নালী ও তন্তকে পরিষ্কার রাখে।

রক্ত চাপ কমায় এলোভেরা জুস আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে ।এলোভেরার উপাদানগুলো আমাদের রক্ত এবং হাড় মাংসপেশি শক্তিশালী করে তোলে। যদি ভালো রাখতে চান তাহলে প্রতিদিন এলোভেরা জুস খাওয়া শুরু করে দিন কিছু গবেষণা এটি প্রমাণিত হয়েছে তাকে সৌন্দর্য বৃদ্ধি রাখতে এবং এলোভেরা প্রয়োজনী একটি উপাদান। রস খেলে যেমন যৌবন ধরে রাখা যায় তেমনি উপকার হয়। খাওয়ারও একটি সঠিক নিয়ম বা সময় রয়েছে।

অ্যালোভেরার খাওয়ার কিছু উপকারিতা জেনে নিই।এমন টক্সিন নির্মূল করে ফলে শরীরের বিভিন্ন অংশের শক্তি ক্ষমতা বৃদ্ধি করে দেয়। বেশ কিছু রোগ নিজের সম্পর্কে জানা যায় এলোভেরা রোজ এত উপকারী যে এই হার্টের সমস্যা দূর করে দেয়। এটা রোগ প্রতিরোধ করে না ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। অ্যালোভেরা ব্যবহারের ফলে ত্বক ভালো থাকে। ত্বকের গুলো মৃত কোষগুলো জীবিত । এলোভেরা জেল ব্যবহার করলে আমাদের ঠান্ডা থাকে এবং বয়সের ছাপ কমে যায় কম বোঝা যায়। অ্যালোভেরার গাছ থেকে তুলি সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না কিছু ক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রেখে তারপর সেটি বার করতে হবে।


অ্যালোভেরা মুখে ব্যবহার করার নিয়মঃঅ্যালোভেরা চুলে কিভাবে ব্যবহার করব

অ্যালোভেরা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারী কারণ এতে অনেক পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেলস রয়েছে। যেগুলো সত্যি আমাদের ত্বকের জন্য অনেক প্রয়োজনীয়। এগুলো আমাদের ত্বকের সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এর পাশাপাশি আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ি চলতেও সাহায্য করে। তাই ত্বকের যত্নে এলোভেরা বেস্ট উপাদান। 

কারণ কম সময়ের মধ্যে অ্যালোভেরা ব্যবহার করে আপনারা একটি ভালো রেজাল্ট পেয়ে যাবেন। এখন কথা হল এলোভেরা আমরা মুখে কিভাবে ব্যবহার করলে এর উপকার গুলো পাবো। তাই অবশ্যই জানতে হবে, তাহলে চলুন জেনে নেই।

অ্যালোভেরা এবং দুধ

অ্যালোভেরার পাশাপাশি দুধ আমাদের উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। তাই অ্যালোভের সাথে যদি দুধ ব্যবহার করে তাহলে, ত্বকের জন্য আরো বেশি উপকারী হয়ে যাবে। বর্তমানে ইন্ডিয়া এবং বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সাউথ কোরিয়ান সংস্কৃতি অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আপনারা সাউথ কোরিয়ান স্কিন কেয়ার ফলো করেন তাদের দেখবেন, তারা বাহিরের অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার না করে ন্যাচারালি অ্যালোভেরার ডাল থেকে চিরুনি দিয়ে দিয়ে আচরণের মাধ্যমে জেল বের করে। 

এজেলটি বের করার পর হাতে ভালো করে মিক্স করে নিতে হবে। এরপর এতে সামান্য পরিমাণে কাঁচা দুধ ব্যবহার করতে হবে। এরপর এ দুটিকে ভালোভাবে মিক্স করে নিয়ে ত্বকে ব্যবহার করুন। আপনারা যদি এটিকে দুই থেকে তিন সপ্তাহ ব্যবহার করেন তাহলে এর একটি ভালো রেজাল্ট পেয়ে যাবেন। ত্বকে ব্যবহার করার পর শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

এলোভেরা খেলে শরীরের কি উপকার হয়?

এলোভেরা খেলে শরীরের উপকার হয় কারণ এটি একটি প্রাকৃতিক উপষ্টাবিশিষ্ট উদ্ভিদ যা মৌলিকভাবে আন্তজ্বর, পেটের সমস্যা, চর্মের সমস্যা, অ্যালার্জি, পেটের গ্যাস, অস্থিরতা, ক্ষতিকর অণুরক্তচাপ সহায়তা করতে পারে। এছাড়াও, এলোভেরা ত্বকের জন্য খুবই ভালো এবং ত্বকের অস্থিরতা, পরিসরের ক্ষতি, রুজগারের পরিস্থিতি সহায়তা করতে পারে।

অ্যালোভেরা চুলে কিভাবে ব্যবহার করব?

প্রিয় পাঠক আপনি কি জানেন এলোভেরা চুলে কিভাবে ব্যবহার করতে হয়। যদি না জেনে থাকেন আজকের এই পর্ব আপনার জন্য নিচে আমরা আলোচনা করেছি। অ্যালোভেরা চুলে কিভাবে ব্যবহার করতে হয় চলুন বিস্তারিত জেনে নেই।

1. অ্যালোভেরা জেল প্রয়োজন অনুযায়ী পাকা অথবা প্রকৃতি থেকে সরাসরি অ্যালোভেরা গেল থেকে বের করুন।
2. অ্যালোভেরা জেল প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট টুকরো করুন অথবা পাকা অ্যালোভেরা পাওয়া হলে সারিতে কেটে নিন।
3. চুলের ঝুলিটা ধুয়ে সুতা বা মড়ক বিষয়ের সাথে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় হার্বাল তেল যুক্ত করুন।
4. অ্যালোভেরা জেল অথবা টুকরো হালকা মাস্ক বা ব্রুশ দিয়ে চুলের মাঝে ম্যাসেজ করুন।
5. চুল স্ক্যাল্পে সমান প্রয়োজনীয় সুষম চুল অ্যালোভেরা লাগানোর পরে পুরো চুলে ফেলুন।
6. আপনি চুলের নিচে বা স্ক্যাল্পে যত সম্ভব প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য অ্যালোভেরা চেপে রাখতে পারেন।
7. প্রয়োজন অনুযায়ী চুলের অংশে অ্যালোভেরা জেল যোগ করুন।
8. অ্যালোভেরা জেল যুক্ত হয়ে চুলের মাঝে ম্যাসেজ করুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিস্পর্শ করুন।
9. চুল শোধা হয়ে গেলে, গুনতে চুলের জন্য শাম্পু বা কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

এই পদক্ষেপগুলি মেনে চলে আপনি চুলের স্বাস্থ্য ও সুন্দরতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারেন। আশা করছি আপনার সম্পূর্ণরূপে বুঝতে পেরেছেন।

অ্যালোভেরা জেল মুখে মাখলে কি হয়

অ্যালোভেরা জেল মুখে মাখলে প্রথমেই মুখের ত্বক কে শুষ্ক করে তুলে নিতে সাহায্য করে। এটি মুখের ত্বকে শুষ্কতা এবং আরাম দেয়। অ্যালোভেরা জেলে অনেক পোষক উপাদান ও ভিটামিন থাকে যা ত্বকের স্বাস্থ্য ও সম্প্রসারণে সাহায্য করে। এছাড়াও, অ্যালোভেরা জেল মুখে জ্বর, অস্থিরতা, চর্মের সমস্যা সহ অনেক সমস্যার চিকিৎসা করে। তাছাড়াও, এটি মুখে আন্তজ্বর এবং ব্যাক্টেরিয়াল সংক্রমণের জন্য একটি প্রাকৃতিক উপায় হিসাবে কাজ করতে পারে। সাধারণত অ্যালোভেরা জেল মুখে মাখলে মুখের চমক, স্বাস্থ্যগত প্রতিস্থাপন এবং চর্মের সুন্দরতা বাড়ায়।

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url