সরকারি ভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়

 

সরকারি ভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়। আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোনেরা দেশ ও বিদেশ থেকে যারা এই পোস্টটি পড়ছেন তাদের  জন্য আজ আমাদের কিছু অজনা তথ্য জানানো হবে।আমরা আমাদের স্বপ্ন পূরন এর জন্য  দেশ থেকে বিদেশ পাড়ি দেই।অনেকে প্রবাস জীবন কষ্টে থাকেন, কেও ভালো জীবন যাপন করে।জীবনে ভালো থাকতে হলে আমাদের প্রথমে যানতে হবে কিভাবে প্রবাসে গেলে ভালো থাকতে পারবো।

সরকারি ভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়

সরকারি ভিসা নিয়ে সরকারি দেশগুলোতে গেলে আপনাদের জন্য ভালো,যেনে নেই সরকারি ভাবে বিদেশ যাওয়ার উপায় কি?সরকারি ভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়?সরকারি ভাবে বিদেশ যাওয়ার সুযোগ।দালাল ছাড়া বিদেশে যাওয়া উপায়। বিদেশ যাওয়ার পূর্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ? কত বছর বয়স হলে বিদেশ যাওয়া যায়, সরকারি ভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায় ইত্যাদি। 

সরকারি ভাবে বিদেশ যাওয়ার উপায় ২০২৪

আমাদের আজকের আর্টিকেলটি হচ্ছে  সরকারি ভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়। এই পর্বে আমরা আলোচনা করব সরকারিভাবে বিদেশ যাওয়ার উপায় কি।বর্তমানে ফ্রি বিদেশ যাওয়ার উপায় নাই।সরকারিভাবে বিদেশ যাওয়া সম্ভব।  কারন, ফ্রি বিদেশ যাওয়া বিপদজনক।  আজকের আমাদের পোস্ট এর মাধ্যমে জানাবো কি ভাবে বিদেশ যাওয়া যায় তাও সরকারি ভিসায়।আপনাদের  সাথে আলোচনা  করব কি ভাবে  দালাল ছাড়া সরকারিভাবে বিদেশ যাওয়ার যায়।

আমরা অনেকেই  বিভিন্ন মাধ্যমে  বিদেশে যেয়ে থাকি।যেমন ধরুন,

উচ্চ শিক্ষার জন্য বিভিন্ন লটারি কেটে থাকি, ফ্রি স্কলারশিপের মাধ্যমে ফ্রি বিদেশ যেয়ে থাকি, একমাত্র উচ্চশিক্ষার বা স্কলারশিপের জন্য  আপনি ফ্রি বিদেশ যেতে পারবেন ।তা ছাড়া  ফ্রি বিদেশ যাওয়া যাবে না, বর্তমানে দালাল ছাড়া খুব সহজে এবং কম খরচে সরকারি ভিসায় বিদেশ যাওয়া যায়। সরকারিভাবে ভিসায় কোন কোন বিদেশ যাওয়া যায় তা আলচনা করব।সরকারি বিভিন্ন কাজে বিদেশ যাওয়ার সুযোগ সুবিধা অনেক। সরকারি ভাবে ৩ ধাপে বিদেশে যাওয়া যায়।

*শিক্ষার্থী হিসেবে

*চাকরি করার উদ্দেশে

*শ্রমিক হিসেবে কাজ করার উদ্দেশে।

*শ্রমিক হিসেবে সরকারিভাবে বিদেশ কি ভাবে যাওয়া যায়?

আমরা অনেকে  শ্রমিক হিসেবে সরকারিভাবে বিদেশ যেতে চায়।তাহলে আমাদের প্রথম কাজ হলো বিদেশে যাওয়ার জন্য যত   নিয়োগ পত্রিকা পত্রিকা আছে তা নিয়মিত পড়া।কারন পত্রিকা গুলোতে বিদেশে লোক নেয়ার জন্য নিয়োগ প্রকাশ করে থাকে।  বিদেশে শ্রমিক নেয়ার জন্য বিভিন্ন শিল্প  প্রতিষ্ঠান, কারখানা রয়েছে।  

বাংলাদেশ থেকে অনেক লোক নিয়ে  অন্যান্য দেশে  সরকারি নিয়োগ এর মাধ্যমে শ্রমিক নেওয়া হয়। এর জন্য  সময়সীমা দেওয়া হয়ে থাকে আবেদন এর  জন্য । যদি আপনি সরকারি ভিসায় বা সরকারি ভাবে শ্রমিক হিসেবে  বিদেশ যেতে চান,তারজন্য আপনাকে বিভিন্ন পত্রিকা প্রতিনিয়তই  খোজ রাখতে হবে। 

বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়

বর্তমান সময়ে সরকারি ভাবে কোন কোন দেশে গুলো তে যাওয়া যায় তা আপনি খুব সহজেই Ami Probashi অ্যাপস টির মাধ্যমে খুব সহজেই জানতে পারবেন । বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ থেকে সরকারি ভাবে বাইরের অনেক গুলো দেশেই ভ্রমণ করা যায় । আপনাদের সকলের সুবিধার জন্য চলতি বছরে খুব সহজেই আপনারা সরকারি ভাবে যেই সকল দেশ গুলো তে ভ্রমণ করতে পারবেন সেই উক্ত দেশ গুলোর নামের তালিকা আকারে নিচে প্রকাশ করা হলো -
  • সৌদি আরব
  • সংযুক্ত আরব আমিরাত
  • ওমান
  • কাতার
  • কুয়েত
  • বাহারাইন
  • ইটালি
  • সিঙ্গাপুর
  • জর্ডান
  • লেবানন
  • লিবিয়া
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • কানাডা
  • রোমানিয়া
  • যুক্তরাজ্য
  • ইরাক
  • ব্রুনাই দারুসসালাম
  • মরিশাস
  • ফ্রান্স
  • দক্ষিণ কোরিয়া
  • অস্ট্রেলিয়া
  • ভারত
  • লন্ডন
  • সুইজারল্যান্ড
  • মালদ্বীপ
  • ডেনমার্ক
উপরে উল্লেখ করা দেশ গুলো ছাড়াও আর ও বেশ কিছু দেশ আছে যেখানে আপনি সরকারি ভাবে যেতে পারেন ৷

সরকারিভাবে বিদেশ যাওয়ার নিয়োগ

সরকারি ভাবে বিদেশে যাওয়ার জন্য সব থেকে বড় একটি সুযোগ হলো যে , এখানে কোন প্রকার কোন দালাল চক্র গুলোরর আবির্ভাব না থাকায় এখানে কোন প্রকার ভাবে প্রতারিত হওয়ার ও কোন প্রকার সম্ভাবনা নেই । আপনি চাইলে Ami Probashi অ্যাপস এর মাধ্যমে বিদেশি সকল চাকরির সার্কুলার দেখে নিতে পারেন এবং আবেদন করতে পারবেন । 

এ ছাড়া ও আপনি যেই দেশে যেতে চান সেই দেশের বা যেই কম্পানি বা যেই ইউনিভার্সিটি তে এডমিশন নিয়ে যেতে চান সেই সকল দেশের বা কম্পানির বা ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল সাইট গুলো তে বিভিন্ন প্রকার সব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়ে থাকে ৷এ ছাড়া ও আমি প্রবাসী অ্যাপস টি তে লগইন করে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্টস গুলো সব সাবমিট করে একটি অ্যাকাউন্ট খুলে নিবেন এবং পরবর্তীতে উক্ত অ্যাপস টি ব্যবহার করে আপনি সম্প্রতি বহি - দেশ গুলোর সকল কোম্পানির চাকরির জন্য সার্কুলার গুলো সব দেখতে পারবেন । এরসাথে সরকারি ভাবে উক্ত দেশ গুলোতে ভ্রমণ করার জন্য আবেদন ও করতে পারবেন ।

বিদেশ যাওয়ার সরকারি এজেন্সি

বিদেশ যাওয়ার সরকারি এজেন্সি সমূহ হলো -
# . মেসার্স নাজ এজেন্সি
# . আজম ওভারসীজ
# . Cilver line Associate
# . Prantik Travels & Tourism Ltd.
# . মেসার্স ইউনিক ইর্ষ্টান (প্রা:) লি:
# . Ismat Human Resources Development
# . মের্সাস এয়ার লিংক
# . Unique Easten
# . Rabbi International
# . SRACO Company
# . Passage Associates
# . Mesers Arakan International
# . Arabian Service Comapny
# . Uniqe Eastern (pvt) Ltd
# . Catharsis International
# . ISMT Human Resource Development Ltd
# . Prantik Travels & Tourism Ltd
# . মেসার্স কিসওয়া এন্টাপ্রাইজ লিমিটড
# . Uniqe Eastern (pvt) Ltd
# . মেসার্স খান ওভারসীজ
# . মেসার্স এয়ার লিংক ওভারসীজ
# . Amin Tours & Travels
# . মেসার্স সততা এসোসিয়েটস

বিদেশ যাওয়ার নিয়ম

# . বৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন এবং পাসপোর্ট তৈরি করুন ।
# . প্রথমে আপনার নিজের লাভ বা ক্ষতি হিসাব করুন ৷ তারপরে আপনি আপনার বিদেশ গমন করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন ৷
# . পাসপোর্ট টি আপনি আপনার হাতে পাওয়ার পরে আপনার নিজের জেলার জোন DEMO তে গিয়ে নিবন্ধন করে নিন ।
# . যেই দেশে গন্তব্য করতে ইচ্ছুক সেই দেশের ভাষার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুন ৷ সারাদেশে ৪০ টি টিটিসিতে মন্ত্রণালয় গুলোর আওতাধীন সকল বিএমইটি ভাষা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে ।
# . পছন্দ ও দক্ষতা অনুযায়ী আপনাকে আপনার কাজের জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে । বর্তমান সময়ে ৬৪ টি টিটিসি এবং ৬ টি আইএমটি গুলোতে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে ।
# . সরকার অনুমোদিত করা বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি‘ গুলোর মাধ্যমে বিদেশ গমন করুন ।
# . ভালোমতো করে পড়ে ও বুঝে চুক্তিপত্র তে স্বাক্ষর করুন । টিভিসি-১
# . বিদেশে যাওয়ার পূর্বে অবশ্যই সমস্ত কাগজপত্র গুলোর ৩ সেট করে ফটোকপি করুন ।
# . বিএমইটি এর স্মার্ট কার্ড টি গ্রহণ করুন ।টিভিসি-২
# . বিদেশে যাওয়ার পূর্বে অবশ্যই আপনার ব্যাংক হিসাব খুলু্ন । (TVC)
# . বিদেশে যাওয়ার পূর্বে ৩ দিনের জন্য প্রাক বর্হিগমন প্রশিক্ষণ গ্রহণের অংশ নিন । (TVC)
# . সংশ্লিষ্ট ডিইএমও অফিস গুলো তে ফিঙ্গার প্রিন্ট বা আঙ্গুলের ছাপ নিন । (TVC)
# . অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার গুলো তে আপনার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন ।
# . প্রবাসীদের কে সহযোগিতা ও সামগ্রিক ভাবে কল্যাণ করার জন্য ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড গুলোর সাহায্য গ্রহণ করুন ।
# . বিদেশে যাওয়ার পূর্বে ও বিদেশ থেকে ফিরে আসার জন্য সহজ শর্তে স্বল্প সুদের ঋণ গ্রহণ করুন ।

সরকারি ভাবে ইউরোপ যাওয়ার উপায় ২০২৪

বিশ্বের অন্যান্য সকল প্রকার উন্নত রাষ্ট্র গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো ইউরোপ ৷ বিশ্বের অনেক মানুষ আছে যারা তাদের নিজেদের উন্নত জীবন যাপনের জন্য ইউরোপ ভ্রমণ করতে চান ৷ কিন্তু এই ইউরোপ রাষ্ট্র গুলোতে যাওয়ার জন্য খরচ ও অনেক বেশি পরিমাণ লাগে জন্য অনেকের এই ইউরোপ ভ্রমণ করার জন্য স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে যায় ৷ কিন্তু সরকারি ভাবে ইউরোপ ভ্রমণ করতে টাকা পরিমাণ কম লাগে ৷

সরকারি ভাবে ইউরোপ যাওয়ার পূর্বে অবশ্যই আপনি যে কাজে যেতে চান সেই সকল কাজের উপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে ৷ তারপর আপনাকে অবশ্যই আপনার একটি বৈধ পাসপোর্ট করতে হবে ৷ সরকারি ভাবে ইউরোপ যাওয়ার জন্য বর্তমান সময়ে তিনটি ভিসা পাওয়া যায় ৷
১ . শ্রমিক ভিসা
২ . স্টুডেন্ট ভিসা
৩ . চাকরির ভিসা

আপনি কাজের জন্য ইউরোপীয় যেই রাষ্ট্রে যেতে চান সেই সকল রাষ্ট্রের বিভিন্ন সব ওয়েবসাইট গুলোতে নজর রাখবেন সে সকল প্রকার ওয়েবসাইট গুলোতে সরকারি ভাবে সেই রাষ্ট্রে কাজের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়ে থাকে ৷ আপনি ইউরোপীয় যেই রাষ্ট্রের যেই কম্পানি তে বা যেই ইউনিভার্সিটি তে এডমিশন নিয়ে যেতে চান সেই সকল কম্পানি বা ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট গুলোতে নজর রাখবেন সে সকল প্রকার ওয়েবসাইট গুলোতে সরকারি ভাবে সেই কম্পানির বা ইউনিভার্সিটির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়ে থাকে ৷ 

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলে আবেদনের নিয়ম দেওয়া থাকে আপনি কোন প্রকার কোন অসাধু ভন্ড দালাল চক্রের জালে ধরা না দিয়ে নিজেই আবেদন করতে পারেন ৷ এ ছাড়া ও সরকারি যে সকল প্রকার এজেন্সি সমূহ আছে তাদের সাহায্য নিয়েও আপনি আপনার ইউরোপ যাওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন ৷

চাকরি করার উদ্দেশে সরকারি ভাবে বিদেশ যাওয়ার উপায়?

সরকারিভাবে বিদেশ গিয়ে চাকরি করতে অনেকই চান এ ক্ষেত্রে আপনাদের জানতে হবে সরকারিভাবে কোন দেশেগুলোর কোন কোম্পানি গুলোতে কি সেক্টরের জন্য সার্কুলার দিয়েছে তা ভালোভাবে খোঁজ নেয়া। বেশিরভাগ চাকরির জন্য সার্কুলার গুলোতে অভিজ্ঞতা দক্ষতা চেয়ে থাকে। এর জন্য চাইলে আপনারা কোর্স করতে পারেন। আপনি কোন কাজের জন্য বিদেশে যেতে চান তার উপর আপনি কোর্স সম্পন্ন করতে পারেন।চাকরির উপর অভিজ্ঞতা থাকলে বিদেশ গিয়ে আপনাদের কাজ করতে অসুবিধা হবে না।

সরকারিভাবে শিক্ষার্থী হিসেবে বিদেশ যাওয়ার উপায়?

মেধাভিক্তি উপর নির্ভর করে আপনি সরকারি ভাবে বিদেশ যেতে পারবেন কি না। আপনি স্কলারশিপ পেয়ে সরকারি ভাবে বিভিন্ন রাষ্ট্রে শিক্ষার্থী হিসেবে পড়াশোনার জন্য যেতে পারেন।তবে বিদেশে শিক্ষার্থীদের মেধা আর ফলাফলের মাধ্যম শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত করা হয়ে থাকে। অনেকের স্বপ্ন থাকে দেশের বাহিরে গিয়ে পড়াশোনা করার।অনেকে ভালো ফলাফল না করায় স্বপ্ন পূরন করতে পারেন না।আমাদের বাংলাদেশ থেকে দেশে বাহিরে গিয়ে পড়াশোনা করার জন্য অনেক সুযোগ সুবিধা আছে।

সরকারি ভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়?

সুপ্রিয় পাঠক আপনি কি জানতে চান  সরকারি ভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায় তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। এই আর্টিকালের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন  সরকারি ভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়।তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নেই  সরকারি ভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়।সরকারি ভাবে বাংলাদেশ থেকে ১৭২ টি দেশে যাওয়া যায়।

ওমান

কাতার

কুয়েত

মালশিয়া

ইতালি

বাহারাইন

সিঙ্গাপুর

জর্ডান

রোমানিয়া

 লিবিয়া

যুক্তরাজ্য

যুক্তরাষ্ট্র

মরিশাস

ফ্রান্স

দক্ষিণ কোরিয়া

লন্ডন

অস্ট্রেলিয়া

ভারত

মালদ্বীপ

সুইজারল্যান্ড

ফিনল্যান্ড

ডেনমার্ক

শ্রীলঙ্কা

জ্যামাইকো

নিউজিল্যান্ড

চীন

জাপান

কম্বোডিয়া

থাইল্যান্ড ইত্যাদি।

আশা করছি আপনি বুঝতে পেরেছেন সরকারিভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়। উপরে উল্লেখিত দেশগুলিতে সরকারিভাবে যাওয়া যায়।

দালাল ছাড়া বিদেশ যাওয়ার উপায় কি?

 সুপ্রিয় পাঠক আমরা আগের পর্বের আপনাদের জানিয়েছি মোট ১৭২ টি দেশে সরকারিভাবে বিদেশ যাওয়া যায় আশা করছি সেই পর্ব পড়ে আপনি জানতে পেরেছেন  সরকারি ভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়এখন আমরা আলোচনা করব দালাল ছাড়া বিদেশ যাওয়ার উপায় কি সে সম্পর্কে।বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে আমরা অনেকে প্রায়ই দালাল এর খপ্পর এ পরে থাকি।  

যার জন্য অনেক টাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয় । আজকে আপনাদের জানবেন দালাল ছাড়া বিদেশ যাওয়ার উপায় কি। আজকের এই পোস্টটি টি আশা যারা বিদেশ যেতে আগ্রহী তাদের জন্য অনেক কাজে আসবে । আমাদের প্রতিটি মানুষের জানার দরকার যে দালাল ছাড়া বিদেশ যাওয়ার যায় কি না। হ্যা দালাল ছাড়া বিদেশ যাওয়া যায়।সরকার দুইটি এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশ যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।আপনারা কম খরচে বিদেশ যেতে পারবেন।

আপনারা কোন দেশে যেতে চান , সেই দেশ সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিতে হবে। দেশের ভিসা, খরচ,শিক্ষা, ভাষা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে হবে। প্রথমে জানতে হবে ভিসার আবেদন কি ভাবে করবেন।ভিসা পাওয়ার জন্য আপনাকে এজেন্সি মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

আপনি একটি দেশে যেতে চান যেখানের ভাষা সম্পর্কে আপনি কিছু যানেন না, তবে আপনাকে ঐ দেশের ভাষা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ নেয়া উচিত। ভাষার উপর প্রশিক্ষণ নেয়া থাকলে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।তবে এছাড়া আপনাদের আর্থিক ভাবেও আপনাদে প্রস্তুতি নিতে হবে।

 দালাল ছাড়া বিদেশ যাওয়ার উপায় সম্পর্কে হয়তো বুঝতে পারছেন।

দালাল ছাড়া বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ

দালাল ছাড়া বিদেশ যাওয়ার জন্য আপনাদের অবশ্যই প্রয়োজনীয় কাগজ  গুলো সংরক্ষণ করতে হবে। দালাল ছাড়া বিদেশ যাওয়ার  প্রয়োজনীয় কাগজ গুলো কি কি তা নিম্নে দেয়া হল:

১.পাসপোর্ট: আপনার  অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে।অবশ্যই ম কমপক্ষে ছয় মাসপ মেয়াদ বা  এক বছর মেয়াদ থাকতে হবে।

২.আর্থিক প্রমাণঃ আপনি বিদেশে থাকা ও ফেরার খরচ বহন করতে পারবেন এমন আর্থিক প্রমান দেখাতে হবে।

 ১. ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন 

২. ব্যাংক স্টেটমেন্ট  এর কাগজ পত্র জমা দিতে হবে।

 তাহলে সরকারি ভাবে আপনি সরকারি ভাবে দালাল ছাড়া বিদেশে যেতে পারবেন।

৩.শিক্ষাগত তথ্য ঃআপনি যদি শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার মার্কশিট, এডমিশন লেটার, সার্টিফিকেট জমা  দিতে হবে।

এই সব উপায় মেনে কাজ করলে আপনারা দালাল ছাড়া বিদেশে যেতে পারবেন।

বাংলাদেশের দেশ থেকে কোন দেশ গুলোতে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা দিয়ে থাকে?

বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা দিয়ে থাকে।কোন কোন দেশেগুলো ভিসা দিয়ে থাকে তা নিম্নে দেয়া হল-

*নিউজিল্যান্ড -

 যদি আপনি কোন কাজে বিশেষ ভাবে দক্ষতা সম্পন্ন হয়ে থাকেন তা হলে আপনি এই দেশটি কর্মক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিতে পারেন। এই দেশটিতে স্কিলড মাইগ্রন্ট রেসিডেন্ট ভিসা ।

কানাডা

এ দেশে কাজ করার জন্য কর্মীকে ওয়ার্ক পারমিটের প্রয়োজন হয়ে থাকে। ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে হলে আপনাদের কাজ এবং যোগ্যতার প্রমাণ অবশ্যই দেখাতে হবে। এ ছাড়া এন্ট্রি সিস্টেমও চালু করে অন্যান্য দেশের মানুষদের কানাডায় নাগরিকত্ব গ্রহণেরও সুযোগ করে দিচ্ছে ।

নিউজিল্যান্ড 

নিউজিল্যান্ডে বিদেশি কর্মীদের স্কিলড মাইগ্রেন্ট ক্যাটাগরি রেসিডেন্ট ভিসা দেওয়া হয়। যদি কোনও কর্মপ্রার্থীর কোনও বিশেষ যোগ্যতা থাকে, তাহলে তিনি এই দেশটিকে তার কর্মক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিতে পারেন।

অস্ট্রিয়া

 ৬ মাসের জন্য ওয়ার্ক ভিসা দেওয়া হয় অস্ট্রিয়াতে। তার জন্য  আবেদনকারীকে অস্ট্রিয়াতে  ১০০ জনের মধ্যে  শীর্ষ স্তরে থাকতে হলে ৭০ শতাংশ স্কোর অবশ্যই  করতেই হবে। এতে প্রার্থীর  যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকতে হবে। 

আরও অনেক দেশ থেকে ভিসা দিয়ে থাকে।

 সরকারি ভবে দক্ষিণ কোরিয়া নিয়োগ?

উত্তর পূর্বে এশিয়ার উন্নত দেশটি বাজারে এখন বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য  নতুন সম্ভবনা দুয়ার খুলছে।দক্ষিণ কোরিয়া কর্মসংস্থান আগ্রহীদের সংখ্যা  সাথে পাল্লা দিয়ে দেশটিতে বাড়ছে বাংলাদেশের কর্মী চাহিদা ২০২২ সালে এক বছরে রেকর্ড সংখ্যক  ৫,৮৯১ জন বাংলাদেশী কর্মী নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার।ইমপ্ল্যুমেন্ট পারমিট  সিস্টেম  ইপিএস এর আওতাই ২০০৮ সালে থেকে দক্ষিণ কোরিয়া উৎপাদন  শিল্পখাতে নিয়োগ পাচ্ছে বাংলাদেশী কর্মী।

এই পর্যন্ত ২৭ হাজার ৯৩৫ জন বাংলাদেশী কর্মী  সংস্থান হয়েছে  দক্ষিণ কোরিয়া। বাংলাদেশ ওভারসিস ইমপ্লু্মেন্ট সিস লিমিটেড  ব্যবস্হাপনা পরিচালক চলতি বছর ১০ হাজার লোক নিবেন দক্ষিণ কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়া সম্পূর্ণ  মাধ্যমে কর্মী পাটানো হয় বলে কাজের নিশ্চিতয়তা শতভাগ নেই প্রতারিত।দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা S.S.C  পাশ এবং দক্ষিণ কোরিয়া ভাষায় পারদর্শী। অভিবেশন ব্যয় হিসেবে খরচ করতে হবে দুই লক্ষ টাকা।যার মধ্যে ফেরত যোগ্য ১ লক্ষ টাকা যা জামানত।

কত বছর বয়সে বিদেশ যেতে পারবেন?

 আপনার বয়স ১৮ বছর না হলে বিদেশে যেতে পারবেন না।কিন্তু আপনার কাজের  ভিসার জন্য নিদিষ্ট বয়স না হলে আপনি বিদেশ যেতে পারবেন না বা অনুমোদন হবে না।আর ভিসা অনুমোদন না হলে বিদেশে আসার স্বপ্ন কখনো পূরন হবে না।মধ্য প্রাচীর দেশগুলো যানবো কত বছর বয়সে বিদেশ যাওয়া যায়। ইরাক,বাহারান,ওমান,কাতার,আরব আমিরাত,তুরস্ক, নেবানল ইত্যাদি এই দেশগুলো মধ্যপ্রাচীর দেশ আওতাধীন উল্লেখ দেশ গুলোতে আসতে কত বছর বয়স পাসপোর্টে থাকতে হবে।

এই সব দেশ গুলোতে আসতে হলে আপনার বয়স  ২২ বছর এর উপর থাকতে হবে।এ তথ্যটি অনেক ক্ষেত্রে সঠিক অনেক ক্ষেত্রে ভুল।ভুল বললাম তার কারন আপনি যদি ট্যুরিস্ট ভিসায় আসেন আপনার বয়স কোনো বিষয় না।কাজের ক্ষেত্রে আপনার বয়স ২১ বছর হতে হবে।এর পর ভিসার জন্য পার্থক্য থাকতে পারে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনার লেবার ভিসার ক্ষেত্রে ২২ বছর এর উপর বয়স হতে হবে। যারা লেবার ভিসায় আসেন তারা অনেক কঠোর পরিশ্রম করে থাকেন।আপনি যার কাছ থেকে ভিসা নিচ্ছেন তার কাছে যেনে নিবেন আপনার বয়স যদি ২১ হয় ২২ বছর এ পরবে এ ক্ষেত্রে ভিসায় কোন সমস্যা হবে কি না।মূল বিষয় হলো ২১ বছরের নিচে কেও মধ্যে প্রাচীর দেশে আসতে পারবেন না।

উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার পূর্ব প্রস্তুতি নিবেন কি ভাবে?

আপনারা অনেকই সরকারি ভাবে উচ্চ শিক্ষার জন্য দেশের বাহিরে পাড়ি জমিয়ে থাকেন,তা হলে আপনার প্রথম কাজ হল আপনার ল্যাপটপে একটি ওয়ার্ড বা ফাইল বা এক্সেল ফাইল বা আপনার পারসোনাল ডায়রি একটা পৃষ্ঠা আলাদা করতে পারেন।যেখানে আপনি লিখবেন আপনি কোন কোর্সে পড়তে যেতে চান,যে কোর্সটিতে আপনি পড়তে চান সেই কোর্সটি কোন কোন দেশে কোন কোন University তে ওফার করে। আপনি হয়তো ভেবেই রেখেছেন আপনি কোন University তে পড়তে চান।আপনি কি কি পয়েন্ট নোট করতে পারেন।

* আপনার সিজিপিএ কত লাগবে

*আপনি কখন অ্যাপ্লাই করবেন

*অ্যাপ্লিকেশন কখন শরু হয়,কখন শেষ হয়

*কোন সেশন ও অ্যাপ্লিকেশন করতে হয়

এই সব কিছু আপনাকে সুন্দর ভাবে নোট করতে হবে।।অবশ্যই কিন্তু আপনি ১ বিষয় পছন্দ করবেন না।অনেকগুলো বিষয় অ্যাপ্লাই করতে হবে।আপনাকে আপন পাসপোর্ট করতে হবে।পাসপোর্ট আগে বানানো উচিত।কারন পাসপোর্টে অনেক সময় নামের বানান ভুল হয়ে থাকে। সেগুলো ঠিক করতে গেলে অনেক ধকল সহ্য করতে হয়।এ ছাড়া আপনাকে আপনার একাডেমি যত সার্টিফিকেট রয়েছে তা সংগ্রহ করে রাখতে হবে।সার্টিফিকেট এর আসল কপি গুলো অন্যন্ত ১ কপি করে ফটোকপি করে রাখবেন।

বিদেশ যাওয়ার সময় কি কি নিবেন আর কি কি নিবেন না?

যেসব জিনিস বিদেশে যাওয়ার সময় নিবেন-

১.সর্বোচ্চ দুইটি ব্যাগ নিতে হবে একটি হাত ব্যাগ একটি লাগেজ।

২.লাগেজ এর ওজন সর্বোচ্চ ২০ কেজি হতে হবে, এর বেশি হলে আলাদা ফি দিতে হবে।

৩.প্রতিটি ব্যাগে নাম গন্তব্য ঠিকানা, ফোন নাবার লিখে রাখতে হবে।

৪.হাত ব্যাগে টাকা ভ্রমণ ও চাকরি সংক্রান্ত কাগজ এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিস রাখতে হবে।

৫. অপরিচিত কারো কোন জিনিস বহন করবেন না।

এ ছাড়া কি কি ব্যাগে রাখবেন না-

১.ধারালো বস্ত যেমন ব্লেড, কাঁচি, ছুরি,নেইলকাটার, ইত্যাদি হাত ব্যাগে রাখবেন না।

২.আগ্নেয়স্রা ও বিস্ফোরক জাতীয় পদার্থ 

৩.নিষিদ্ধ মাদক

৪.আগুন ধরে এমন জিনিস

৫.কাঁচা মাছ মাংস।

আপনি নতুন বিদেশে যাচ্ছেন যাওয়ার আগে প্রস্তুতি কি ভাবে নিবেন?

আপনারা অনেকি বিদেশে যাওয়ার আগে ঘাবড়ে থাকেন বিদেশে যাওয়ার আগে কি কি ব্যাগে নিতে হয় বা ব্যাগ কি ভাবে গুছাতে হয়,তো আসুন আমরা জেনে নেই কি ভাবে ব্যাগ গুছিয়ে নিবো।


১.ব্যাগ গুছানোর সময় মনে রাখবেন আপনি এয়ারপোর্টে যে ব্যাগটা চেক ইন করতে দিবেন মানে এয়ারলাইন্স কাউন্টারে জমা দিবেন সেখানে কোন টাকা পয়সা, টিকিট, চাকরির কাগজ পত্র রাখা যাবে না,এই সব জিনিস ছোট ব্যাগে আপনার সাথে রাখতে হবে।

২.চাইলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের এক সেট ফোটকপি আপনার চেক ইন ব্যাগে রাখতে পারেন।

*এয়ারপোর্টে  যাওয়ার আগে যে সমস্ত কাগজপত্র অবশ্যই নিজের সাথে নিবেন

১. পাসপোর্ট 

২.ভিসা

৩.স্ব্যাস্হ পরীক্ষার মূল রিপোর্ট 

৪.প্রশিক্ষণ সার্টিফিকেট 

৫.কাজের অনুমতি পত্র

৬.চাকরির চুক্তি পত্র

৭.স্মার্ট কার্ড

৮.বিমানের টিকিট 

৯.কোম্পানির নাম,ঠিকানা,ফোন নাম্বার, দায়িত্বরত কর্মকর্তা নাম ও ফোন নাম্বার, গন্তব্য দেশের বাংলাদেশী দূতাবাসের ঠিকানা ও ফোন নাম্বার। 

১০.কিছু ডলার বা গন্তব্য দেশের মুদ্রা।

এই সব কিছু আপনাকে মনে করে গুছিয়ে নিতে হবে। তা ছাড়া আপনাকে মনে রাখতে হবে বিমান ছাড়ার ৩ ঘন্টা আগে বিমানবন্দর পৌছাতে হবে।বিমানবন্দর পৌছানোর পর আপনার সমস্ত ব্যাগ ট্রলিতে করে নিয়ে যেতে হবে।এর আপনাকে সিকিউরিটি চেকিং বা কাস্টম চেকিং অফিসার আপনার পাসপোর্ট, বিমানের টিকিট, অন্যান্য কাগজ চেক করবে।

এর পর আপনার সাথে থাকা ব্যাগ স্ক্যানিং করা হবে। আপনার ব্যাগে কোন বিপদজনক জিনিস আছে কি না তা সিকিউরিটি অফিসার চেক করবে। ব্যাগ চেক করার পর একটি বডি চেকার দিয়ে আপনার বডি চেক। এয়ারপোর্টে বিভিন্ন জায়গায় বড় টিভি স্ক্যানার থাকে যেখানে বিমানের নাম, ফ্লাইট নাম্বার, বিমান ছাড়ার সময় দেয়া থাকে। এই বিভিন্ন প্রক্রিয়া কাজ শেষ করে আপনি বিমানে উঠতে পারবেন।

 সর্বশেষ কথা । সরকারি ভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়

প্রিয় পাঠক আশা করছি আপনি আজকে জানতে পেরেছেন সরকারিভাবে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়। এবং আপনি আরো জানতে পেরেছেন দালাল ছাড়া কিভাবে বিদেশ যাওয়া যায়, দালাল ছাড়া প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কি কি লাগে এইসব বিস্তারিত আলোচনা। আজকের আর্টিকেল সম্পর্কে আপনার যদি কোন মতামত থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং বিদেশ যাওয়ার আগে আজকের এই আর্টিকেলটি সুন্দর করে পড়ে নিবেন আর একবার।

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url